তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২০, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

ভালুকার করোনা আপডেট

২৯ জুন ২০২০, সোমবার
আক্রান্ত
২৪ ঘন্টা মোট
৫ জন ২২৯ জন
সুস্থ
২৪ ঘন্টা মোট
০ জন ৮২ জন
মৃত্যু
২৪ ঘন্টা মোট
০ জন ৩ জন

বিস্তারিত বিষয়

ঘূর্ণীঝড় আম্পান মোকাবেলায় মনপুরা প্রশাসনের প্রচারনা

ঘূর্ণীঝড় আম্পান মোকাবেলায় মনপুরা প্রশাসনের ব্যাপক প্রস্তুতি, ৭৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত, সচেতনতায় প্রচারনা
[ভালুকা ডট কম : ২০ মে]
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় ঘূর্ণীঝড় আমপানের তান্ডবতা দেখা দিয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বাতাশের গতিবেগ বাড়তে দেখা গেছে। ঝড়ো গতিতে দমকা হাওয়ার পাশাপাশি গুড়িগুড়ি বৃষ্টি লক্ষ্য করা গেছে।

দ্বীপ উপজেলা মনপুরার চতুর্দিক বেষ্টিত মেঘনায় স্বাভাবিকের চেয়ে ৩/৪ ফুট জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্লাবিত হয়েছে নিম্মাঞ্চল।তবে মঙ্গলবার সারাদিন উপজেলার সর্বত্র রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া থাকলেও সন্ধ্যার পর কয়েকবার বৃষ্টি হয়েছে। রাত বাড়ার সাথে সাথে আকাশে বিজলীসহ দমকা হাওয়া বয়ে যেতে দেখা গেছে।

এদিকে ঘূর্ণীঝড় আম্পান সচেতনতায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। আম্পান সচেতনতায় প্রশাসন ও সিপিপি’র উদ্যোগে প্রচারনা চালানো হয়েছে। উপকূলের অলিগলি-রাস্তাঘাটে জনসাধারনকে সচেতন করতে প্রচারনা ও সতর্ক করতে মাইকিং করা হচ্ছে।

পাশাপাশি মানুষকে বাড়ি থেকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন। এদিকে মনপুরা থেকে বিচ্ছিন্ন কলাতলীরচর, ঢালচর ও চরশামসুদ্দিনের ২০ হাজার লোক বসবাস করছে। চরের বাসিন্দাদেরকে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে আনা সম্ভব হচ্ছেনা। তাই বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও চরের বাসিন্দাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে।

এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস জানান, উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিং করা হয়েছে। ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। চরের বসবাসরত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা কন্ট্রোলরুম খোলা সহ ৭৪ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এবং শুকনো খাবার মজুদ করা হয়েছে।

এছাড়াও মনপুরার মূল-ভূখন্ডের স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাইমারী স্কুল ভবন, মাধ্যমিক স্কুল ভবন, রেডক্রিসেন্ট ও কারিতাসের আশ্রয়কেন্দ্র, উপজেলার পরিষদের বিভিন্ন ভবনসহ ৭৪ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থপনা কমিটির সদস্য সচিব ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস মিয়া।

উপজেলা সিপিপি’র টিম লিডার এরফান উল্লাহ চৌধুরী অনি জানান, উপজেলা সিপিপি’র ৮২৫ স্বোচ্ছাসেবী কর্মী স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে ও দূর্যোগ পরবর্তী সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।

এদিকে জোয়ারের ঢেউয়ের তীব্রতায় উপজেলার রামনেওয়াজ ইউনিয়নের কাউয়ারটেক লঞ্চঘাট সংলঘ্ন বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। দ্রুত জিওব্যাগ বা প্যালাসাইডিং করে বেড়ীবাঁধ রক্ষা করারা দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।#




সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

জীবন যাত্রা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৮৩ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই