তারিখ : ৩০ মে ২০২০, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

গৌরীপুরে ত্রাণ বিতরণে নেই কোনো কর্মকর্তা

গৌরীপুরে ত্রাণ বিতরণে থানা পুলিশ ছাড়া ইউএনও'র সহায়তায় নেই কোনো কর্মকর্তা
[ভালুকা ডট কম : ০৭ এপ্রিল]
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বর্তমান সময়ে সরকারি ত্রাণ বিতরণে একটু সহায়তা করবে এমন কোন দপ্তরের কর্মকর্তাকে কর্মস্থলে খুঁজে পাওয়া যায়নি।সহকারি কমিশনার(ভূমি) মাসুদ রানা, থানা পুলিশের  অফিসার্স ইনচার্জ বোরহান উদ্দিন খানসহ সকল সদস্য ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী ছাড়া কেউ নেই কর্মস্থলে। কর্মকর্তারা কর্মস্থলে না থাকায় দিনমজুর ও অসহায় দরিদ্রদের তালিকা প্রস্ততসহ ত্রাণ বিতরণের হিমশিম খেতে হচ্ছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।

করোনার নানা অজুহাতে উপজেলা সমাজ সেবা, প্রকল্প বাস্তবায়ন, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা, খাদ্য পরিদর্শক, কৃষি কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, সমবায়, এলজিইডি প্রকৌশলী, শিক্ষা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা, ভিডিপি কর্মকর্তাসহ অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তারাও রয়েছে গৌরীপুর উপজেলার বাইরে।বিশেষ করে বাড়িতে বা জেলা শহরে। এরমধ্যে নাম প্রকাশে না করার শর্তে এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যেহেতু গণপরিবহন চলে না কিভাবে কর্মস্থলে আসবো। গাড়ী চললে  আসবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের এক সূত্রে জানিয়েছেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মাঠ প্রশাসন সংস্থাপন  অধিদপ্তর শাখার মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত ২২ মার্চ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধ ও এর প্রার্দুভাবজনিত যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের লক্ষে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বিভাগ/জেলা/ উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণের জন্য নির্দেশ ক্রমে অনুরোধ করেছেন।

এ চিঠি অনুযায়ী কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই সময়ে শুধুমাত্র সহকারি কমিশনার (ভূমি), থানা পুলিশের কর্মকর্তাসহ সকল সদস্য ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকমর্তা কর্মচারী রয়েছে কর্মস্থলে।

অথচ উপজেলা পরিষদের চত্বরে স্থাপিত ডরমেটরি, জেলা পরিষদের ডাকবাংলো খালি পড়ে রয়েছে। এখানে থাকার ব্যবস্থা থাকলেও কেউ কর্মস্থলে থাকছেন না।কিন্তু এর ব্যতিক্রমী চিত্র চোখে পড়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেজুঁতি ধরের ক্ষেত্রে। তিনি সরকারি ত্রাণ অসহায়, দুস্থ মানুষদের মাঝে বিলি করা জন্য উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন খান ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহায়তা নিয়ে চাল, ডাল প্যাকেট করছেন। দিন রাতে তিনি নিজ উদ্যোগে অসহায়দের বাড়ি বাড়ি ত্রাণ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করছেন।

তিনি বলেন, যদি অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তারা দেশের এ ক্লান্তি লগ্নে কোন প্রকার সহযোগিতা করতো তাহলে ত্রাণ বিতরণ এর  গতি আরো বেড়ে যেতো।





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকার বাইরে বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৬০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই