তারিখ : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় বকেয়া বেতনের জন্য প্রবেশপত্র দিলনা প্রধান শিক্ষিকা

ভালুকায় বকেয়া বেতনের অভিযোগে ছাত্রকে পিএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেননি প্রধান শিক্ষিকা
[ভালুকা ডট কম : ১৯ নভেম্বর]
ভালুকা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত মাতৃছায়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পিএসসি পরীক্ষার্থী শাকিল খান নামে এক ছাত্রের বকেয়া বেতন না দেয়ার অভিযোগে চলতি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারেননি। এ ঘটনায় ছাত্রে বাবা অলিউল্লাহ খান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে জানাযায়,পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা অলিউল্লাহ খানের ছেলে শাকিল খান মাতৃছায়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলে প্লে শ্রেণী থেকে অধ্যয়ন করছেন। তিনি চলতি পিএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করার কথা ছিল। গত ১৬নভেম্বর অলিউল্লাহ খান তাঁর ছেলে শকিল খানের বকেয়া বেতনসহ ৩হাজার টাকা পরিশোধ করে দিয়ে আসেন। তাঁর ছেলের কাছে পরীক্ষার প্রবেশপত্র দিয়ে দিতে বলেন। শাকিলের কাছে প্রবেশ পত্র না দেয়ার সন্ধ্যায় শাকিল তার বড় বোনকে সাথে নিয়ে প্রধান শিক্ষিকা নাছিমা পারভীনের বাসায় যান। প্রধান শিক্ষিকাও শাকিলের প্রবেশপত্র না দিয়ে পরের (অর্থাৎ প্রথম পরীক্ষার) দিন ১০হাজার টাকা বকেয়া বেতন নিয়ে আসতে বলেন।

প্রবেশপত্র না পেয়ে শাকিল বাড়িতে গিয়ে খুবই কান্নাকাটি করেন। পরীক্ষার জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েও পরীক্ষা দিতে না পাড়ার শাকিল খুবই কান্না কাটি করে। শাকিলের বাবা লজ্জায় আর প্রবেশ পত্রের জন্য স্কুলে যাননি। শাকিলের মা একজন মানসিক বিকারগ্রস্থ অসুস্থ নারী,তিনি ৪বছর যাবত উপজেলা মেদিলা গ্রামে তার বাবা বাড়িতে অবস্থান করে মানষিক রোগের চিকিৎসা করছেন। পরীক্ষা শুরুর ১৬মিনিট পূর্বে স্কুলের শিক্ষক নূর মোহাম্মদ শাকিলকে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য তার বাবা কাছে ফোন করেন।

অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রধান শিক্ষিকার স্বামী আতিকুল ইসলাম গোয়ারী আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক হয়েও ওই স্কুলে ক্লাশ করান। প্রধান শিক্ষিকা মাতৃছায়া প্রি-ক্যাডেট স্কুল চালিয়ে অবৈধ ভাবে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে পৌরসদরে ২০লাখ টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করে ভবন নির্মাণ করছেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে শাকিলের বাবা অলিউল্লাহ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একটি লিখিত অভিযোগ পত্র দায়ের করেন।

মাতৃছায়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা নাছিমা পারভীন বলেন,হঠাৎ ১৬নভেম্বর আমার ফুফু মার যাওয়ায় ওই দিন আমি স্কুলে ছিলাম না। রাতে শাকিল তাঁর বড় বোনকে নিয়ে আমার কাছে আসে আমি তাদেরকে পর দিন আসার জন্য বলি। ১৭নভেম্বর সকালে আমার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নূর মোহাম্মদকে পাঠাই শাকিলের বাবা কাছে। শাকিলের বাবা জেদ করে তার ছেলেকে পরীক্ষা দেওয়াবেনা বলে জানিয়ে দেন। ছেলেটিকে আমরা অনেক চেষ্টা করিয়েছি কিন্ত তার বাবার জন্য আমরা পরীক্ষা দেওয়াতে পারিনি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জুয়েল আশরাফ দায়সাড়া গোছের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু ঘটনাটি একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের এক্ষেত্রে আমাদের কিছুই করার নেই।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই