তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

উদ্বোধনের পর আর দেখা মেলেনি নান্দাইলের আলোর ফেরিওয়ালা

উদ্বোধনের পর আর দেখা মেলেনি নান্দাইলের আলোর ফেরিওয়ালা
[ভালুকা ডট কম : ২১ সেপ্টেম্বর]
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় স্বপ্ন বাস্তবায়নকল্পে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি অপরিহার্য অঙ্গ। বিদ্যুৎ বিহীন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া অর্থহীন ও অসম্ভব।

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ কর্মসূচীর আওতায় সারাদেশের ন্যায় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় ২২শে জানুয়ারি ‘আলোর ফেরিওয়ালা’র উদ্বোধন করা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে দায়িত্বরত ডিজিএম মোখলেছুর রহমানের নেতৃত্বে উদ্বোধন করেন দুইবারের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল আবেদীন খাঁন তুহিন।

উক্ত কার্যক্রমের উদ্দ্যেশ্য ছিল গ্রাহকরা অতি অল্প সময়ের মধ্যেই ঘরে বা প্রতিষ্ঠানে বসেই বিদ্যুৎ সংযোগ পাবেন। প্রথম দিনেই কিছু বিদ্যুৎ বিহীন বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ১০ মিনিটের মধ্যেই নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলেও এরপর থেকে উক্ত ফেরিওয়ালার আর দেখা মেলেনি।

দপ্তরসূত্রে জানাযায়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, গ্রাহক আবেদন ফি, জামানত ও সদস্যফিসহ বাণিজ্যিক সংযোগ পেতে ৯৬৫ টাকা এবং আবাসিকে ৫৬৫ টাকা অফিসে জমা দিলেই বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া যায়। এতে তৃতীয় কোনো পক্ষের প্রয়োজন হয়না।কিন্তু বাস্তবে তা দেখা গেছে উল্টো। কিছু কুচক্রী মহল বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নাম করে মিটার প্রতি হাতিয়ে নিচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের অবহেলায় হয়রানির শিকার হচ্ছে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। বিদ্যুৎ বকেয়া বিল পরিশোধ করা হলেও চলছে গ্রাকদের গ্রেফতারী পরোয়ানায় হয়রানি।

কর্তৃপক্ষের ভূল গ্রেফতারী পরোয়ানায় গত বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর/১৯ইং গাংগাইল ইউনিয়নের হাফিজ উদ্দিনের পুত্র ফজলুর রহমান (৬০) নির্দোষ হয়েও বৃদ্ধ বয়সে জেল খাটতে হয়েছে। এছাড়া বাড়ি বাড়ি না গিয়ে প্রতিষ্ঠানে বসেই ভুতুড়ে বিল তেরী এবং নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ না করায় জনমনে নানা ধরনের ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইলেক্ট্রেশিয়ান ও নামধারী বিদ্যুৎ ঠিকাদাররা সংযোগের নামে সাধারন মানুষের কাছ থেকে নির্দিষ্ট টাকার চেয়ে অতিরিক্ত আদায় করে হয়রানি করে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে ডিজিএম উত্তম কুমার সাহা বলেন,আমরা প্রতি মাসে প্রায় দেড় হাজার থেকে আড়াই হাজার পর্যন্ত নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছি। আলোর ফেরিওয়ালার কাজ আমরা প্রতিদিনই করছি। যেসমস্ত উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে সেখানে মাইকিং করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। যাহোক আমার অফিসে কোন ধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতি প্রশ্রয় দেই না। তবে ফজলুরর রহমানের বিষয়টি তিনি বিদ্যুৎ কোর্ট কর্তৃপক্ষ ভূল করেছে বলে স্বীকার করেন তবে তার অফিসের কোন ভূল নয়।#     





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

জীবন যাত্রা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২২ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই