তারিখ : ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

পেঁয়াজের ঝাঁজ আর লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার-ন্যাপ

পেঁয়াজের ঝাঁজ আর লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার-বাংলাদেশ ন্যাপ
[ভালুকা ডট কম : ২০ সেপ্টেম্বর]
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ক্রমাগত বাড়ছে পেঁয়াজের ঝাঁজ। লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার। পেঁয়াজ ও চালের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে। জীবন ধারণের উপযোগী প্রতিটি জিনিসের অগ্নিমূল্য। ডাল, মাছ, মাংস, তেল, তরিতরকারি, ফলমূল, চিনি আর লবণসহ সব কিছুর দাম চড়া। ফলে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে চাকরিজীবী আর খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ। শুক্রবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

নেতৃদ্বয় লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির মূলে অতিরিক্ত মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের দায়ী করে বলেন, পণ্যের মূল্য ওঠা-নামা করবে এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে বর্তমানে দেশে অস্বাভাবিকভাবে নিত্যপণ্যের মূল্য বেড়েই চলছে। এতে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসছে। এ ছাড়া আমাদের দেশে একবার কোনো পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি হলে তা আর হ্রাস পায় না। সুতরাং এ সমস্যার সমাধান করতে সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের একাধিক সংস্থা রয়েছে। কিন্তু সেগুলোর তেমন কোনো কার্যকারিতা নেই।

তারা বলেন, যাবতীয় ভোগ্যপণ্যের দাম যখন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ভোক্তার নিয়ন্ত্রণে বাইরে, তখন সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলছেন ‘নিয়ন্ত্রণে বা স্থিতিশীল' আছে। সরকারের দায়িত্বশীলরা যখন একথা বলছেন, তখন পণ্যের বাজারে চলছে লুটপাট। ব্যবসায়ীরা নিজেদের খেয়ালখুশি মত পণ্যের দাম বাড়িয়ে চলছে। সরকার যতই বলুক বাজারমূল্য আর মূল্যস্ফীতি স্বাভাবিক কিন্তু বাস্তবে তা নয়। বিভিন্ন সময়ে নানা অজুহাতে ব্যবসায়ীরা পণ্যের বাড়িয়ে চলছে। সরকার হয় নীরব, না হয় মন্ত্রী বলছেন- ‘দাম স্থিতিশীল'। আবার সরকারের দায়িত্বশীলরা বলছেন, বিরোধীদলের দোষ।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, সরকারি হিসেবে যে দেশে ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে, দিনে একবার পেট ভরে খেতে পায় না - সে দেশে এই মূল্যস্ফীতির হার স্বাভাবিক নয় বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন। পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়া, বাজার মনিটরিং, দ্রব্যমূল্য টানিয়ে রাখা, রাজধানীতে আরও বাজার সৃষ্টি করা, টিসিবি'কে স্বায়ত্তশাসন বা কোম্পানি করে কাজে লাগানোর কথা বলা হয়েছিল। এসব আর কিছুই হয়নি। নিয়ন্ত্রণহীন পণ্যের বাজারে সরকার নীরব দর্শক। সরকার যদি বুঝতেই পেরেছে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে চালের বাজারে আগুন লেগেছে। তাহলে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট কি সরকারের চেয়েও শক্তিশালী?

তারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সরকারের ভ্রান্তনীতি, অসাধু ব্যবসায়ী, সিন্ডিকেট পোষণ-তোষণ বহুলাংশে যে দায়ী, এটা বলাইবাহুল্য। ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেলে নিরন্ন মানুষের দুর্দশার শেষ থাকবে না। সেটা সরকারের জন্যও সুখকর হবে না। আর ইতিমধ্যে দেশের জনগন বিশ্বাস করতে শুরু করেছে দেশের সকল সমস্যা প্রধানমন্ত্রীকেই সমাধান করতে হয়। এখানেও এর ব্যতিক্রম হবে না। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মনে হয় কোনো সমস্যার সমাধান দেয়ার কেউ নেই। পেঁয়াজের ঝাঁজ কমাতে এবং লাগামহীন।  #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

রাজনীতি বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২২ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই