তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় দুই ওসি’র মানবতায় রক্ষা পেল মা ও নবজাতক

ভালুকায় দুই ওসি’র মানবতায় রক্ষা পেল মা ও নবজাতক
[ভালুকা ডট কম : ০১ জুন]
ভালুকা উপজেলার বহুলী গ্রামের জনৈক সোহাগ মিয়ার বাড়ির বারান্দায় শুক্রবার দুপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন এক  নারী ছেলে সন্তান প্রসব করেছেন। ঘটনাটি জানানোর পরও ভালুকার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পপ কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক ভাবে মা ও নবজাতকের ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাত ১২টার দিকে ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম সুমন মা ও নবজাতককে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন ।

জানাযায়, শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর উপজেলার বহুলী গ্রামের সোহাগের বাড়ির বাহিরের বারান্দায় ২০বছর বয়সি এক প্রতিবন্ধী নারী প্রসবের ব্যথায় ছটফট করতে থাকেন। এই বিষয়টি সোহাগের মা বিলকিছ বেগম টের পান। পরে কিছুক্ষণের মধ্যেই বিলকিছ বেগমের মাধ্যমে ওই নারী এক ফুটফুটে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। এরপর ওই নারীর নাম-পরিচয় জানতে চাওয়া হলেও তিনি কোন প্রশ্নের উত্তর দেননি। পরে এই ঘটনাটি সোহাগের বোন তাসলিমা আক্তার মোঠো ফোনে পুলিশ পরিদর্শক মাজহারুল ইসলাম কে ওই নারী ও নবজাতককে উদ্ধারের জন্য ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে ভালুকা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসকসহ অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে সহযোগিতা চান । তিন ঘন্টা পর  ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পপ  কর্মকর্তা  উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও)কে জানান, হাসপাতালের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটি নষ্ট। এরআগে বিষয়টি ভালুকা ফায়ার সার্ভিসকেও অবগত করা হয়ে ছিল। পরে রাত ১০টার দিকে তাসলিমা আবার মোঠো ফোনে মাজহারুল ইসলামকে জানান, ওই নারীর ব্যাপক রক্তক্ষরণ হচ্ছে নবজাতকও তেমন নরাচড়া করছে না। সঙ্গে সঙ্গে মাজহার একটি নোহা গাড়ি ভাড়া করে রাত ১২ টার দিকে নবজাতকসহ মাকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এই খবর পেয়ে রাতেই ছুটে যান ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন। পরে তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ওই নারী ও নবজাতকের সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত চিকিৎসাসহ সব ধরনের ব্যয় ভার বহন করবেন বলে জানান ওসি মাইন উদ্দিন।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম জানান, নব জাতকসহ তাঁর মাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই নারী কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। নাম-ঠিকানা কিছুই জানা যায়নি। নারী ও সন্তানের সেবার জন্য টাকা দিয়ে একজন আয়া রাখা হয়েছে। ওসি স্যার নারী ও নবজাতকের আনুষাঙ্গিক ও চিকিৎসার ব্যয়ভারের দায়িত্ব নিয়েছেন।

এই বিষয়ে জানার জন্য ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পপ কর্মকর্তা ডা.একরাম উল্লার মোবাইলের সরকারী নম্বরে একাদিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল জানান, ওই নারী ও নবজাতকের বিষয়টি ইউএএইচও কে অবগত করা হলেও তাৎক্ষণিক ভাবে তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই