তারিখ : ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

অবৈধ দখলের শিকার রাণীনগরের যাত্রী ছাউনিগুলো

অবৈধ দখলের শিকার রাণীনগরের যাত্রী ছাউনিগুলো
[ভালুকা ডট কম : ০৭ এপ্রিল]
নওগাঁর রাণীনগরের একাধিক প্রধান সড়কের পাশে নির্মিত যাত্রী ছাউনিগুলো অবৈধ ভাবে বেদখলের শিকার হওয়ার কারণে সেগুলো অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ব্যবহার করতে পারছেন না যানবাহনের জন্য রাস্তায় অপেক্ষারত যাত্রী সাধারনরা। তবে যাত্রী ছাউনিগুলো যেহেতু আর আগের মতো ব্যবহৃত হচ্ছে না তাই সেগুলো উদ্ধার করে দোকান কিংবা মার্কেট নির্মাণ করলে প্রতিবছর সরকার অনেক টাকা রাজস্ব হিসেবে আয় করতে পারবে বলে স্থানীয়দের দাবী।

সূত্রে জানা, এক সময় নওগাঁ হতে রাণীনগরের পূর্বাঞ্চল আবাদুপুকর হয়ে কালীগঞ্জ যাওয়ার সড়কের পাশে এবং নওগাঁ হতে রাণীনগর দিয়ে আত্রাই যাওয়ার সড়কের একাধিক স্থানে রাস্তায় অপেক্ষমান যাত্রী সাধারণদের বসার জন্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছিলো যাত্রী ছাউনি। বর্তমান সময়ে এই সব রাস্তা দিয়ে যাত্রীবাহী বাসের চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রী ছাউনিগুলো আর ব্যবহৃত হয় না। এই সব প্রধান প্রধান সড়কে সিএনজি, অটোরিক্সা, অটোভ্যান, অবৈধ ভটভটিসহ বিভিন্ন যানবাহন প্রায় ৫মিনিট পর পর যাতায়াত করছে যার কারণে রাস্তায় এসে যাত্রী সাধারনদের কোন যানবাহনের জন্য আর ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় না। যার কারণে এই যাত্রী ছাউনিগুলো আগের মতো আর ব্যবহৃত হয় না। স্থানীয়দের দ্বারা যাত্রী ছাউনিগুলো দীর্ঘদিন অবৈধ ভাবে দখলের শিকার হওয়ার কারণে অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে যা জনসাধারনদের কোন উপকারে আসছে না। স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন অনুমতি ছাড়াই অভৈধভাবে দখল করে নিজেদের ইচ্ছে মতো ব্যবহার করছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে কোন কোন যাত্রী ছাউনিতে ইটের খোয়া মজুদ করে রাখা হয়েছে আবার কোন কোন যাত্রী ছাউনিতে সেুলন আবার কোনটিতে ভ্রাম্যমান দোকান দিয়ে দখল করে রাখা হয়েছে। তাই শত ইচ্ছে থাকলেও যাত্রীরা বসতে পারে না এই সব যাত্রী ছাউনিগুলোতে। স্থানীয়দের দাবী যেহেতু যাত্রী ছাউনিগুলো আগের মতো আর ব্যবহৃত হয় না বেশির ভাগ যাত্রী ছাউনিগুলো বর্তমানে অবৈধ দখলের শিকার তাই সরকার যদি এই যাত্রী ছাউনিগুলো উদ্ধার ও সম্প্রসারণ করে দোকান কিংবা মার্কেট নির্মাণ করে ভাড়া দেওয়া হয় তাহলে সরকার প্রতিবছর রাজস্ব হিসেবে অর্থ আয় করতে পারতো এবং জায়গাগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হতো।

খানপুকুর এলাকার যাত্রী আব্দুল খালেক, আমিনুল ইসলামসহ আরো অনেকেই বলেন যাত্রী ছাউনিগুলো অবৈধ দখলের কারণে আর ব্যবহার করা যায় না। আর এই রাস্তাগুলো দিয়ে বর্তমানে অনেক যানবাহন চলাচল করায় যাত্রী ছাউনিতে আর অপেক্ষা করার প্রয়োজন হয় না। তাই সরকার এই জায়গাগুলো উদ্ধার করে দোকান কিংবা মার্কেট নির্মাণ করে সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবে এমনটাই দাবী আমাদের সকলের।

জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুল মান্নান বলেন উপজেলার বিভিন্ন প্রধান সড়কে আর যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে না। আর আগের চেয়ে রাস্তায় এখন অনেক বেশি যাত্রাবাহী যানবাহন চলাচল করে। রাস্তায় এসে যাত্রীদের আর বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয় না। যার কারণে নির্মিত যাত্রী ছাউনিগুলো আগের মতো আর ব্যবহৃত হয় না। অব্যবহৃত এই সব যাত্রী ছাউনিগুলো উদ্ধার করে সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য জেলা পরিষদ একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অতিদ্রুত এই সব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হলে যাত্রী ছাউনিগুলো আর অবৈধ দখলের শিকারে থাকবে না।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৩ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই