তারিখ : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাবিতে বিসিএস পরিক্ষার ফরম পূরণে জালিয়াতী,আটক-৩

রাবিতে বিসিএস পরিক্ষার ফরম পূরণে জালিয়াতী, আটক-৩
[ভালুকা ডট কম : ১৫ নভেম্বর]
বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (বিসিএস) এর ৪০ তম প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফরম পূরণে ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করার প্রতারণার কারণে পরীক্ষায় বসতে পারা নিয়ে শঙ্কায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী। সরকারী কর্মকমিশন প্রতারণার শিকার শিক্ষার্থীদের জন্য আদৌ কোন সুযোগ দিবে কিনা এ নিয়ে শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় তিন দোকানিকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার রাতে প্রতারণার শিকার বেশ কয়েকজন আবেদরকারী শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে রাবি প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক সোহাগ এ বিষয়ে অনুসন্ধ্যান করেন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে প্রতারণার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করেন তিনি। এর প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত দোকানিদের আটক করে প্রক্টর অফিসে দুপুর পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে বেলা দুইটার দিকে তাদেরকে মতিহার থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।অভিযুক্তরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন মার্কেটের স্পন্দন কম্পিউটারের মালিক মোস্তাক আহমেদ মামুন, ভাই ভাই কম্পিউটারের আরিফ হোসেন এবং রফিকুল ইসলাম।

অভিযুক্তদের পুলিশে সোপর্দ করা হলেও বিসিএস এর এবারের পরীক্ষায় আদৌ ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা বসতে পারবেন কিনা এ নিয়ে শংকা প্রকাশ করে জুবায়ের আহমেদ নামের এক শিক্ষার্থী  বলেন, আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ফরম পূরণের সময় দেওয়া আছে। পিএসসি নিজেদের মতো করে চলে। তারা যদি আমাদেরকে সুযোগ না দেয় বা এর মধ্যে যদি বিষয়টি ঠিক করা না যায় তাহলে পরীক্ষায় বসা অনিশ্চিত হয়ে যাবে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের আশংকার কোন কারণ নেই বলে জানিয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের বরাত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. লায়লা আরজুমান বানু বলেন, পিএসসির সাথে আমাদের কথা হয়েছে আজ সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের একটি তালিকা পাঠানোর কথা জানিয়েছে তারা। তালিকা দেখে পিএসসি প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য টাকা প্রদানের ৭২ ঘন্টা সময় বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে ভুক্তোভোগী হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মোমিন হোসেন বাদি হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, অভিযুক্ত দোকানীদেরকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে তাদের কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। যেটি শিক্ষার্থীদেরকে ফেরত দেওয়া হবে।

সূত্রে জানা যায়, প্রতিবন্ধী না হওয়া স্বত্ত্বেও প্রায় তিন শতাধিক প্রার্থীকে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য ইচ্ছাকৃত প্রতিবন্ধি কোটায় ফরম পূরণ করে দিয়েছে অভিযুক্ত দোকানীরা। যদিও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোটা ব্যতিত কর্মকমিশন নির্ধারিত ফি ৭০০ টাকা নিয়েছে দোকানী। আর প্রতিবন্ধী কোটায় ১০০ টাকায় ফরম পূরণ করায় দোকানীর পকেটে গেছে বাকি ৬০০ টাকা। সকালে দোকানীর এমন উদ্দেশ্যমূলক এমন কাজের বিষয়টি চক্ষুগোচর হলে সাংবাদিকসহ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেন। এর প্রেক্ষিতে তাদেরকে আটক করে প্রক্টর দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে পুলিশে দেওয়া হয় তাদেরকে।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

শিক্ষাঙ্গন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৪৩ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই