তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

কোটা ব্যবস্থা পর্যালোচনা কমিটির মেয়াদ বাড়ল ৯০ কর্মদিবস

কোটা ব্যবস্থা পর্যালোচনা কমিটির মেয়াদ বাড়ল ৯০ কর্মদিবস
[ভালুকা ডট কম : ১৯ জুলাই]
সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা পর্যালোচনায় গঠিত কমিটির মেয়াদ আরও ৯০ কর্মদিবস বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এই কমিটির মেয়াদ ছিল ১৫ কর্মদিবস। নির্ধারিত সময়ে কমিটি প্রতিবেদন তৈরি করতে না পারায় আজ (বৃহস্পতিবার) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এই মেয়াদ বাড়ানো হয়। সময় বাড়িয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, গঠিত কমিটির মেয়াদ ১৫ কার্যদিবসের অতিরিক্ত ৯০ কার্যদিবস বর্ধিত করা হলো। 

গত ০২ জুলাই সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে সাত সদস্যের এই কমিটি করে সরকার। কমিটিকে ১৫ কর্মদিবস অর্থাৎ আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মোহাম্মাদ শহিদুল হক, অর্থ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, জনপ্রশাসনসচিব ফয়েজ আহম্মদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিব অপরূপ চৌধুরী, সরকারি কর্মকমিশনের সচিব আকতারী মমতাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব সাজ্জাদুল হাসান। কোটা পর্যালোচনা কমিটি গত ৮ জুলাই তাদের প্রথম সভা করে কর্মপন্থা নির্ধারণের পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে কোটা সংক্রান্ত দেশি-বিদেশি সব ধরনের তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয়।

কোটা সংস্কারের দাবিতে কয়েক মাস আগে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। আন্দোলনের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১১ এপ্রিল সংসদে বলেছিলেন, কোটা পদ্ধতিই থাকবে না, এটা বাতিল। সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণার ২ মাস ২২ দিন পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কোটা পর্যালোচনায় কমিটি করে। তবে প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি সংসদে বলেছেন, কোটা পদ্ধতি থাকবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ রাখতে হাইকোর্টের রায় আছে। এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন,আদালত কী বলেছেন? আদালত যা বলেছেন, সেটি কোটা নিয়ে রায় নয়, পর্যবেক্ষণ। ত্রয়োদশ সংশোধনীতেও আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল। কিন্তু সেখান থেকে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের অংশটি প্রধানমন্ত্রী রাখলেন। যেটায় তার সুবিধা, সেটাতে আদালতকে ব্যবহার করছেন, আর যেটায় অসুবিধা, সেখানে আদালতকে এড়িয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত; এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ।#






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫২৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই