তারিখ : ২১ জুলাই ২০১৮, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁর মেধাবী সুপ্রিয়া বাঁচতে চায়

নওগাঁর মেধাবী সুপ্রিয়া বাঁচতে চায়,সবার একটু সহযোগিতা পেলেই বাঁচতে পারে সুপ্রিয়া
[ভালুকা ডট কম : ০১ জুলাই]
হত-দরিদ্র ও জায়গাঁজমি হীন চা-বিক্রেতা সামসুল মন্ডল প্রতিদিনের চা বিক্রির টাকা দিয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি অনেক সপ্ন নিয়ে তার একমাত্র মেধাবী মেয়েকে মাস্টার্স পর্যন্ত লেখাপড়া শিখিয়ে শেষ পর্যন্ত এখন এসে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুড়ে শুধু হাউমাউ করে কাদছেন সামসুল মন্ডল।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর ইউপির রসুলপুর গ্রামের হত-দরিদ্র ও জায়গা-জমিহীন চা-বিক্রেতা সামসুল মন্ডল এর একমাত্র কন্যা সুপ্রিয়া খানম (২৩) ছোট বেলা থেকেইে লেখাপড়ায় মেধাবী । তার সহায়-সম্বলহীন ও হত-দরিদ্র পিতা শত কষ্টের মাঝেও প্রথমে নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ফুটপাতে ও সেখান থেকে পুলিশ প্রশাসন তুলে দেয়ার পর গ্রামের মোড়েই রাস্তার ধারে চা বিক্রি করে অভাবী সংসার চালানোর পাশাপাশি তার একমাত্র মেয়ে মেধাবী সুপ্রিয়া খানম এর লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে আসছেন দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে।

এমনকি চা বিক্রির সামান্য টাকায় ইতি মধ্যেই মেয়ে সুপ্রিয়া খানমকে (মাষ্টার্স) পাশও করেছেন। এর মধ্যেই গত পহেলা জুন হঠাৎ করেই বাড়িতে মেধাবী শিক্ষার্থী সুপ্রিয়া খানম অসুস্থ্য হয়ে পড়লে , প্রাথমিক অবস্থায় পল্লী চিকিৎসকের কাছে ২/৩ দিন চিকিৎসা নেয়ার পরও সুস্থ্য হয়ে না ওঠায় পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শে সুপ্রিয়া খানমকে নওগাঁ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান তার পিতা সামসুল মন্ডল। কয়েক দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর কিছুটা উন্নতি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সুপ্রিয়াকে ছাড়পত্র দিলে পিতা-মাতা তাকে বাড়িতে এনে রাখেন এরমাঝেই ফের আরো বেশি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে সুপ্রিয়াকে ফের নওগাঁ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে চিকিৎসা চলাকালে ১৫ জুন চিকিৎসকরা সুপ্রিয়া খানমকে রেফার্ড করেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

রেফার্ড করার পরই যেন চা বিক্রেতা সামসুল মন্ডলের মাথায় বাঁজ পড়ে। তারপর থেমে না থেকে আত্বীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের কাছে থেকে ধারদেনা করে সংগ্রহ করা টাকায় সুপ্রিয়া খানমকে  রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। চিকিৎসা চলাকালে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে হত-দরিদ্র ও জায়গাঁজমি হীন চা-বিক্রেতা সামসুল মন্ডলকে জানিয়ে দেন তার মেয়ে সুপ্রিয়া খানমের ব্রেন টিউমার হয়েছে, যতদ্রুত সম্ভব ঢাকায় নিয়ে অপারেশান করাতে হবে বলেও জানিয়ে দিলে সুপ্রিয়া খানমের হত-দরিদ্র ও জায়গাঁজমি হীন চা-বিক্রেতা পিতা সামসুল মন্ডল দিশেহারা হয়ে মেয়েকে রাজশাহী থেকে নিজ বাড়িতে এনে বিনা চিকিৎসায় রেখে , সুপ্রিয়া খানমের চিকিৎসা বা টাকা সংগ্রহর জন্য এলাকার মানুষের দ্বারে দ্বারে ধর্না দিয়ে শুধু হাউ মাউ করে কেঁদেঁ কেঁদেঁ তার মেয়ে সুপ্রিয়াকে বাঁচাতে সবার কাছে সাহায্য বা সহযোগীতা চাইছিলেন।

এরি মাঝে অর্থ অভাবে বিনা চিকিৎসায় সুপ্রিয়া খানমের বাড়িতে পড়ে থাকার খবর পেয়ে রাজশাহীতে লেখাপড়া করার সময়ের তার সহপাঠিরা একজোট হয়ে নিজেদের ভেতর কিছু টাকা তুলে সেই টাকা সহ গত ২৭ জুন বুধবার সুপ্রিয়া খানমের বাড়িতে এসে সুপ্রিয়া খানমকে দেখে সাথে সাথে তার পিতা সামসুল মন্ডল এর  হাতেু টাকা তুলে দিয়ে ঐ দিনই সুপ্রিয়া খানমকে হাসপাতালে ভর্তি বা চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠিয়ে দেন সুপ্রিয়া খানমের সহ পাঠিরা।

অপরদিকে হত-দরিদ্র ও জায়গাঁ-জমিহীন চা-বিক্রেতা সামসুল মন্ডল, তার মেধাবী (মাষ্টার্স) পাশ মেয়েকে বাঁচাতে দেশের সরকার, দানবীর বা দানশীল ব্যাক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়ে প্রতিবেদককে বলেছেন, আমার মত হত-দরিদ্র ও জায়গাঁজমি হীন ব্যাক্তি খেয়ে না খেয়ে মেয়ে সুপ্রিয়া খানমকে (মাষ্টার্স) পাশ করালাম, আমি দেশ বাসীর কাছে আমার মেয়ের জন্য দোয়া ও মেয়ের জীবন বাঁচাতে আর্থিক সহযোগীতা কামনা করছি বলেই কান্নাজরিত কন্ঠে বলেন, দেশের কোন না কোন স্থানে এমন কি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নেই যে, আমার মত হত-দরিদ্র চা বিক্রেতার  (মাষ্টার্স) পাশ মেধাবী মেয়েটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসবেন।

অসুস্থ্য মেধাবী সুপ্রিয়া খানম এর পিতা সামসুল মন্ডল এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ (কথা) বলুন বা আর্থিত সহযোগীতা করুন এই নাম্বারে- ০১৭৪৪-৬০৭৯৫৪।০১৭৪৪-৬০৭৯৫৪ এই মোবাইল নাম্বার ই ( বিকাশ) করা আছে। যে যার সাধ্যমত এই নাম্বারে আর্থিক সহযোগীতা করতে পারেন।#






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

পাঠক মতামত বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫১৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই